“কি রে ময়লা ?হাঁ করে কি ভাবছিস?এখনো কেউ
আসেনি বুঝি?
রহিম চাচার হাঁকডাকে সম্বিৎ ফিরে পায়
ছেলেটা।পাশে রাখা বেরং প্লাস্টিকটার দিকে করুণ মুখে তাকায়।ইশশশ... আজ বোধহয় আরমাস্টারমশাই এর কাছে
যাওয়া হল না। আজ আকাশের তারা, সূর্য, ছায়াপথ আরও কত কি রূপকথা নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি
করবেন তিনি।কিছুই জানা হবে
না।সারাদিনের ক্লান্তি,
আধপেটা খিদে, নুন-পান্তা নিয়ে প্রতিদিনের অনিশ্চয়তা,গায়ে লেগে থাকা অভাবের শ্যাওলা ...সব কিছুর মধ্যে ওই একটা জিনিসই তার
সবচেয়ে ভাল লাগে। আকাশ...।কত বড় ... শুরু শেষ মাপা যায় না।দিনের বেলা আমরা যে সূর্যকে দেখতে পাই, তার
মধ্যে নানা ধরনের কণা কতরকমের বিক্রিয়া হতে থাকে সবসময়।আর রাতেরবেলা কত নাম-না-জানা আলো কখনও স্থির
হয়ে, কখনো মিটমিট করে কতরকমের ছবি
আঁকেআকাশে। তার জানতে
ইচ্ছে করে সবকিছু, ছুঁতে ইচ্ছে করে ওদেরকে।
মাস্টারমশাই হেসে বলেন ...”তুই বড় হয়ে
মহাকাশচারী হবি ,বুঝলি? মহাকাশচারীকে ইংরেজিতে কি বলে জানিস ? অ্যাস্ট্রনট”।